random header image

এই ব্লগ সাইটটি হতে পারে কুমিল্লা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট’র ছাত্রদের যোগাযোগের একটি অন্যতম মাধ্যম

আমার মনে হয় এই ব্লগ সাইটটি হতে পারে কুমিল্লা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট থেকে বের হওয়া ছাত্রদের যোগাযোগের একটি অন্যতম মাধ্যম । এছারা এখানে পলিটেকনিকে অধ্যায়নরত ছাত্ররাও রেজিস্ট্রেশন করতে পারে , তাই এখানে হতে পারে ইন্সিটিউটের অবস্থা লেখার একটি জায়গা ।

আত্মহত্যা কি?

আত্মহত্যা কি? মানুষ কেন আত্মহত্যা করে? ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে আত্মহত্যার পরিনাম ও আত্মহত্যা থেকে মুক্তির উপায়।

আত্মহত্যা কি?

আত্মহত্যা মানে নিজকে নিজে ধ্বংস করা। নিজ আত্মাকে চরম যন্ত্রণা ও কষ্ট দেয়া। নিজ হাতে নিজের জীবনের সকল কর্মকাণ্ডের পরিসমাপ্তি ঘটানো।

মানুষ কেন আত্মহত্যা করে?

মানুষ কেন আত্মহত্যা করে সে বিষয়ে দৃষ্টি দেয়া যাক। আত্মহত্যার অনেক কারণ আছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ

১. স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য, যৌতুকের কারনে ঝগড়া বিবাদ
২. পিতা-মাতা ও ছেলে-মেয়ের মধ্যে মনোমালিন্য,
৩. পরীক্ষায় ব্যর্থতা,
৪. দীর্ঘস্থায়ী রোগ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া,
৫. প্রেম-বিরহ, মিথ্যা অভিনয়ের ফাঁদে পড়ে
৬. ব্যবসায়ে বারে বারে ব্যর্থ হওয়া,
৭. শক্রর কাছে ধরা না দেয়া ইত্যাদি।

যখন জ্ঞান-বুদ্ধি-উপলব্ধি-অনুধাবন শক্তি লোপ পায়, নিজকে অসহায়-ভরসাহীন মনে হয়, তখনই মানুষ আত্মহত্যা করে বসে।

ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে আত্মহত্যার পরিনাম

ইসলামী দৃষ্টিকোণে বিষয়টি আলোচনা করা যায়। আল্লাহ মানুষকে মরণশীল করে সৃষ্টি করেছেন। তিনিই মৃত্যু ঘটান। কিন্তু আত্মহত্যার ক্ষেত্রে বান্দা স্বাভাবিক মৃত্যুকে উপেক্ষা করে মৃত্যুকে নিজের হাতে নিয়ে নিজেই নিজকে হত্যা করে ফেলে। এ কারণে এটি একটি গর্হিত কাজ। তাই আলাহ তা মোটেই পছন্দ করেন না। এ কারণে যদিও শরিয়তে আত্মহত্যাকারীর জানাযা হয় তবু রাসূল (সাঃ) তা নিজে পড়াননি। সাহাবী দ্বারা তা পড়ানো হয়। এ সূত্র ধরে আমাদের সমাজেও উচ্চ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন আলেমের স্থলে অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন আলেম দ্বারা আত্মহত্যা কারীর জানাযার নামায পড়ানো হয়।

কোরআনের বানীঃ

আত্মহত্যা মহাপাপ। এ কাজ থেকে বিরত থাকতে মহান আল্লাহ্‌ তা’আলা বিশেষভাবে নির্দেশ দান করেছেন এবং এর পরিনামের কথা ভাববার জন্য কঠোর ও যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির বর্ণনা দিয়ে মহা পবিত্র আল কুরআনে আয়াত অবতীর্ণ করেছেন।

মহান আল্লাহ রাববুল আলামীন বলেন, “আর তোমরা নিজেদের হত্যা করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি দয়ালু। এবং যে কেউ জুলুম করে, অন্যায়ভাবে উহা (আত্মহত্যা) করবে, অবশ্য আমি তাকে অগ্নিদগ্ধ করবো, আল্লাহর পক্ষে উহা সহজসাধ্য।” (সূরা-নিসা-২৯-৩০)

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর বানীঃ

ক) সাহাবা আবু হোরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজেকে পাহাড়ের ওপর থেকে নিক্ষেপ করে আত্মহত্যা করে, সে জাহান্নামের মধ্যে সর্বদা ঐভাবে নিজেকে নিক্ষেপ করতে থাকবে।

খ) যে ব্যক্তি বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে সেও জাহান্নামের মধ্যে সর্বদা ঐভাবে নিজ হাতে বিষপান করতে থাকবে।

গ) যে কোন ধারালো অস্ত্র দ্বারা আত্মহত্যা করেছে তার কাছে জাহান্নামে সে ধারালো অস্ত্র থাকবে যার দ্বারা সে সর্বদা নিজের পেটকে ফুঁড়তে থাকবে।

ঘ) রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে সে দোজখে অনুরূপভাবে নিজ হাতে ফাঁসির শাস্তি ভোগ করতে থাকবে। আর যে বর্শা ইত্যাদির আঘাত দ্বারা আত্মহত্যা করে- দোজখেও সে সেভাবে নিজেকে শাস্তি দেবে।

ঙ) হযরত জুনদুব ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, তোমাদের পূর্বেকার এক লোক আহত হয়ে সে ব্যথা সহ্য করতে পারেনি। তাই সে একখানা চাকু দিয়ে নিজের হাত নিজেই কেটে ফেলে। এর পর রক্তক্ষরণে সে মারা যায়। আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা নিজেকে হত্যা করার ব্যাপারে বড় তাড়াহুড়া করে ফেলেছে। তাই আমি তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিলাম।

আত্মহত্যা থেকে মুক্তির উপায়ঃ

১. পিতা-মাতার কাজ হবে ছেলে-মেয়েদের অযথা ধমক না দেয়া, ভৎসনা না করা।

২. এমন মানসিক কষ্ট না দেয়া যাতে তাদেরকে আত্মহত্যার মতো চরম পদক্ষেপ দিতে বাধ্য করে।

৩. মারাত্মক ও কষ্টদায়ক অসুখে পড়লে নামাযে দাঁড়িয়ে যাওয়া। দাঁড়াতে না পারলে বসে পড়া, তা না পারলে শুয়ে ইশারায় পড়া এবং সেজদায় এ দোওয়া করা। হে আমার রব। আমাকে রোগে কষ্ট দিচ্ছে। আপনি তো দয়ালুদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু। আমাকে রোগ-মুক্ত করুন। আইয়ুব (আঃ) তাঁর ভীষণ অসুখে এ দোওয়া পড়েছিলেন (সূরা আম্বিয়া আয়াত ৮৩ “রাব্বি আন্নি মাস্যানিয়াত দুররু ও আনাতা আরহাদুর রাহেমিন”। এ দোওয়া পড়ে রোগমুক্ত হন।

৪. ব্যবসায় ক্রমাগত ক্ষতি হলে মাঝে মাঝে নফল নামাযে সেজদায় গিয়ে এ দোওয়া পড়াঃ আল্লাহুম্মার জুকনা রিযকান হাসানা। আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবুকা মিনাল ফাকরি অলকিল্লাতি অজজিল্লা”। অর্থ হলোঃ হে আল্লাহ। আমাকে মঙ্গলকর জীবিকা দান করুন। আমি আপনার নিকট গরিবী স্বল্পতা ও হীনতা থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। আপনিই তো একমাত্র রিজিকের মালিক এবং দাতা। আপনি সূরা জুমার ৫৩ আয়াতে বলেছেন “ আমার দয়া থেকে নিরাশ হয়ো না”। তাই আমার রুজি বাড়িয়ে দিন।

৫. পরীক্ষা এসে গেলে আগে থেকে ছাত্রদের মাঝে মাঝে নফল নামাযে সেজদায় গিয়ে এ দোওয়া করা। হে আল্লাহ। আপনিই তো জ্ঞান-প্রতিভা-মেধা ও ফল দেয়ার মালিক। এগুলো দিয়ে আমাকে অনুগ্রহ করুন যাতে আমি পরীক্ষায় ভাল ফল করতে পারি। কোরআনের ভাষায় এ দোওয়া হলো “রাব্বি জিদনি এলমা।” অর্থ হলো। হে প্রভু। আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।

৬. আত্ম-হত্যার কথা মনে, আসলে এ বিপদ থেকে রক্ষাকল্পে নফল নামাযে দাঁড়িয়ে যাওয়া এবং সিজদায় গিয়ে বিনীতভাবে আল্লাহর আগ্রহ-দয়া-সাহায্য কামনা করা প্রয়োজন। প্রতি মুহূর্তে ধৈর্য ধারণ করতে হবে।

৭. এ ঘাত-সংঘাতময় জীবনে মাঝে মাঝে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য হবে- এটা তো স্বাভাবিক। আল্লাহ কোরআনে বলেছেন, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের পরিচ্ছদ। একে অপরের শান্তিদাতা ও শান্তিদাত্রী। দোষ-গুণ নিয়েই মানুষ। কারও মাঝে সব গুণের একত্র সমাহার বিরল। স্বামীর যেমন কিছু গুণ থাকে তেমনি কিছু দোষও থাকে। স্ত্রীর ব্যাপারেও একথা সমভাবে প্রযোজ্য। তাই উভয়কে সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিতে হবে। নিজেদের মধ্যে সংলাপ-সহযোগিতা-সমঝোতা-সহমর্মিতা থাকতে হবে। উভয়কে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। আল্লাহ সূরা ফুরকান আয়াত ৭৪ এ ব্যাপারে দোওয়া শিখিয়ে দিয়েছেন যা হলো “রাব্বানা হাবলানা মিন আগওগানা ও জুর রিয়্যাতেনা কুররাতা আ’য়ুনু অজআলনা লিল মুত্তাকিনা ইমাম।” অর্থ হলোঃ হে আমাদের প্রতিপালক। আমাদের স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানদেরকে নয়ন তৃপ্তিকর করে দিন এবং মোত্তাকীদের আমাদের জন্য আদর্শ স্বরূপ করে দিন।

পরিশেষেঃ………………………………………

মোট কথা যখনই নিজেকে অসহায় ও আশাহত মনে হয় এবং আত্মহত্যার চিন্তা আসে তখনই মনে করতে হবে এখন শয়তান এসেছে। ইসলামে আত্মহত্যা নাজায়েয এবং তার পরিণতি জাহান্নাম। তাই এ থেকে দূরে থাকা ব্যাঞ্ছ্যনীয়। সাথে সাথে মনে করতে হবে আল্লাহই আমার সহায় এবং আশার আলো। তাই পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামায পড়ার সাথে নফল নামাযের মাধ্যমে আল্লাহর দয়া ও সাহায্য কামনা করতে হবে। প্রতি মুহূর্তে সবর অর্থাৎ ধৈর্য ধারণ করতে হবে। এতে ইনশাআল্লাহ মন ও হ্নদয় প্রশান্ত থাকবে এবং বিপদ দূরীভূত হবে।

হে মহান আল্লাহ। সকল স্তরের নর-নারী ও সন্তান-সন্তুতিকে আত্মহত্যার মত পাপ থেকে বেঁচে থাকার মত জ্ঞান বুদ্ধি ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার মত সুচিন্তা ও চেতনা দান করুন। আমীন

ছবির মত সুন্দর আমাদের পাহাড়ি জনপদ

আসলেই অপরুপ সৌন্দর্যে্ ভরপুর আমাদের পাহাড়ি জনপদ

Tips for Success for Engineering Students

1. Identify the people who inspire you. 2. Develop a portfolio of projects 3. Learn the value of networking. 4-Star Tip. In addition to E-mail 4. Work in teams as much as you can. 5. Seek informal leadership roles. 6. Find your flaws—and fix them. 7. Take a business class. As an engineer 8. Take design and other humanities classes. 5-Star Tip. 9. Make your summers productive. 10. Recruit and develop your personal board of directors   1. Identify the people who inspire you, and find out what makes them tick. If you love Apple products, Steve Jobs may be your idol, or perhaps you love the Segway and its creator, Dean Kamen. You can easily find out a lot of information about Jobs and Kamen—or just about any other prominent person in technology—so use it to look into what’s helped these people and their companies become so successful. Then emulate their good traits in your personal, scholastic, and professional life.   2. Develop a portfolio of projects. Participate in every hands-on, experiential learning opportunity that a balanced schedule allows. This way, you’ll have something unique to show a prospective employer (or venture capitalist) when you graduate, while other students will only be able to list their courses. In addition, you’ll be far more likely to retain the knowledge you’ve gained in classes because you’ll be applying it and, in the process, boosting your communication and interpersonal skills.   3. Learn the value of networking. When it comes to being a leader, whom you know is almost as important as what you know. Attend lectures on your campus and introduce yourself to the speakers. Check with your school’s alumni association to get a list of alumni from your program who want to connect with undergraduates.   4-Star Tip. In addition to E-mail, you can use LinkedIn or other social media tools to connect online. But remember: There’s no substitute for a traditional, face-to-face meeting, so if you can find a way to meet in person, that’s always the best.   4. Work in teams as much as you can. Whether it’s creating a solar-powered car, participating in a sport, or writing for the school paper, get involved with an organization that requires a team effort to produce great results. Throughout your career, you can be sure you’ll work in teams, and the skills you develop in school will help prepare you to lead teams when you graduate.   5. Seek informal leadership roles. You’re always a leader, whether you’re officially in charge of a team or not. Sounds counterintuitive, but you can lead from any position in an organization by influencing how people work together and how they make decisions. Usually people think that the leader is the president or the manager, but if you learn how to recognize and deal with various leadership styles from any position in a team, you’ll be seen as a leader when you take on your first job or internship.   6. Find your flaws—and fix them. As with any skill, leadership needs constant improvement. When you are part of a team, try to create a way to get feedback from team members, group leaders, and professors. When you have concrete feedback on how people view you, you can work to improve your skills, including communication and leadership. Plus, you’ll learn how to accept—and give—constructive criticism. That’s absolutely necessary for your future career.   7. Take a business class. As an engineer, it’s not enough for you to be technically proficient; you need to have business savvy. If you’re going to be a leader, you need to understand what a P&L is (also known as an income statement), read organization charts, know how to negotiate contracts, and be familiar with the myriad other functions that every top engineer needs to know. Otherwise, you won’t understand what to do when an accountant, lawyer, or middle manager gets in the way. A business course or two can take you a long way, and these classes are often easier to pass than your calculus course!   8. Take design and other humanities classes. There’s a wide world out there beyond problem sets, laboratories, and theory. Take a visual design course so you’ll learn to represent ideas graphically. Take a cognitive science course to learn how people interpret the world and understand it. Take a literature course to develop your knowledge and appreciation of the classic books, which will help you write and communicate more effectively.   5-Star Tip. Tomorrow’s leaders will have to communicate effectively across international borders and be familiar with other cultures, so develop some proficiency in another language, travel abroad, or meet students from other cultures. Start “globalizing” right at college.   9. Make your summers productive. Employers place tremendous value on practical experience. Seek out internship opportunities actively and early in your academic career. Try to demonstrate through your internships a series of evolving leadership experiences, and use the internships to build your portfolio of actual projects/products. New graduates who can show a commitment to using their summer to continue to learn are always viewed more seriously by a prospective employer.   10. Recruit and develop your personal board of directors. As an undergraduate, you might feel alone when confronted with hard decisions about the courses to take, jobs to apply for, or even balancing school work and your personal life. You won’t feel alone if you develop a personal board of directors just for you. Just as a company has a board that guides the organization, you can stock your board with professionals from organizations and companies, as well as former teachers and knowledgeable family friends.   Extra Pointer. Be sure to “nurture” your board of directors: Keep in touch with them, provide them regular updates, ask them for guidance, and be sure to thank them for any help they provide. And don’t be afraid of conflicting advice. If members offer different suggestions, you’ll have the occasion to balance off one idea against another and make your own decision—just like at a real company.   Sponsored by : Copyright 2009 Professors’ Guide LLC. All rights reserved.

কিছু ভাল লিংকস

উপ-সহকারী প্রকৌশলী

Employer: Rajuk, Dhaka

Educational Qualification: Diploma in Civill/Mechanical Engineering.

 

Click here for detail

Rectifier

A rectifier is an electrical device that converts alternating current (AC), which periodically reverses direction, to direct current (DC), which flows in only one direction. The process is known as rectification. Physically, rectifiers take a number of forms, including vacuum tube diodes, mercury-arc valves, copper and selenium oxide rectifiers, semiconductor diodes, silicon-controlled rectifiers and other silicon-based semiconductor switches. Historically, even synchronous electromechanical switches and motors have been used. Early radio receivers, called crystal radios, used a “cat’s whisker” of fine wire pressing on a crystal of galena (lead sulfide) to serve as a point-contact rectifier or “crystal detector”.

Rectifiers have many uses, but are often found serving as components of DC power supplies and high-voltage direct current power transmission systems. Rectification may serve in roles other than to generate direct current for use as a source of power. As noted, detectors of radio signals serve as rectifiers. In gas heating systems flame rectification is used to detect presence of flame.

Because of the alternating nature of the input AC sine wave, the process of rectification alone produces a DC current which, although unidirectional, consists of pulses of current. Many applications of rectifiers, such as power supplies for radio, television and computer equipment, require a steady constant DC current (as would be produced by a battery). In these applications the output of the rectifier is smoothed by an electronic filter to produce a steady current.

A more complex circuitry device which performs the opposite function, converting DC to AC, is known as an inverter.

ONE RG/GL A DAY KEEPS THE CARDIOLOGIST AWAY!!!

ONE RG/GL A DAY KEEPS THE CARDIOLOGIST AWAY!!!

Ganoderma & Heart

Compiled by:
Dr.S. Ranjan, MD,. DM (Cardiology)

Education and Background:

MBBS, MD in General Medicine, DM (Cardiology) of Madras Medical College, Post Doctoral Teacher in Cardiology for 17 Years, Personal Physician and Cardiologist to Former Honourable Presidents of India.

Ganoderma and Heart

Once thought to be the source of feelings of love and emotion, the heart is actually the powerhouse of the circulatory system. Rhythmic contractions of this muscular pump push blood along the blood vessels to all parts of the body, even to its far extremities, and back to the heart again. The beating heart ensures that every cell of the body has an uninterrupted supply of food, oxygen, and other essentials. So powerful is the heart that it can pump the body�s entire blood volume of 5 litres (8.8 pints) around the body once every minute. On average, it beats, or pumps, 70 times a minute when the body is at rest, yet can increase this rate if the body is active. Over a lifetime of 70 years, the heart beats some 2.5 billion times without tiring or stopping for a rest, thanks to the cardiac muscle and its walls.

Heart Problems: Unseen inside the chest, the heart is taken for granted until something goes wrong. A common cause of heart problems is the narrowing or blockage of the coronary arteries, which provide heart muscle with oxygen, a condition known as “Coronary Artery Disease”. Its main symptom is chest pain, noticed during stress or exercise when extra demands are put on the heart. The chances of developing this problem are increased by smoking, high blood pressure, high-fat diet, obesity, and inactivity.

Reishi or Ganoderma lucidum is a very powerful herb and it has been used for more than 5000 years for its medicinal effects. It has more than 200 active ingredients which makes it unique in its positive effect on health.

The important effects on the heart are due to its triterpene compounds. The triterpenes give Reishi an adoptogenic quality, providing the person with protection from a wide range of biological, environmental, and social stresses. They have a kind of harmonizing effects on the body. These harmonizing effects are in the immune system as well as the circulatory system.

Anti-Oxidant effect: Reishi, being a powerful anti-oxidant helps to scavenge the free radicals which are injurious to cells. Consumption of Reishi can help in the prevention of heart diseases, especially heart attacks by its powerful antioxidant effects. It has been proved to reduce cholesterol levels.

Antiplatelet Effect: Reishi contains Adenosine which is a platelet inhibitor. This action is due to the activation of phospholipase. This antiplatelet effect prevents clot formation, regularizes blood flow in the blood vessels, especially in the micro-circulation, thereby preventing heart attack.

ACE inhibition-Lanostane triterpenes with ACE inhibiting effects have been identified in Ganoderma. Ganoderic acid F exhibited the highest effect. This effect lowers and normalizes the blood pressure and helps to reduce the load on the heart and improve pumping function, especially in a failing heart.

Vasodilator effect: Adenosine is a powerful vasodilator and it improves the blood supply and oxygen delivery to various organs. By improving the oxygen supply to the heart, Reishi is useful in preventing Coronory Artery disease and helps to overcome angina.

The ability of Reishi to calm the body and regulate its energy seems to be the key to its effect on blood pressure, the immune system, and ultimately how long that system will last.

I would say that:

ONE RG/GL A DAY KEEPS THE CARDIOLOGIST AWAY!!!
Source: DXN Life , Volumn 17

Have You Thought of…?

Have You Thought of…?
About Health.
Financial Freedom.
Extra Income.
Have own Business.
Helping Others.
Self Improvement.
Safe Retirement.
Leave a legacy.

If your Replay is No…Read it Again!!
If your Replay is Yes… Call me to Help :)
Mohammed Fazle Elahi
Cell: 00966502633031
eMail:mohammedfazleelahi@gmail.com
web: http://www.dxnbangla.com/

We are Mourn about Kishore